বৃহস্পতিবার , ২৮ মে ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২৮ মে ২০২৬
হোমজাতীয়হরমুজ প্রণালি বন্ধে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা, বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি বন্ধে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা, বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
হরমুজ প্রণালি বন্ধে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা, বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্বের অন্যান্য জ্বালানি আমদানিকারক দেশের মতো বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহও হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানির মজুত ধরে রাখতে সরকার এখন বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

সরকার ইতোমধ্যে ভারত, চীনযুক্তরাষ্ট্র-এর কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে। পাশাপাশি ব্রুনেই ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকেও তেল আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। স্পট মার্কেট থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার ক্ষেত্রেও নতুন বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছে। এদিকে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতিও চেয়েছে বাংলাদেশ।

সম্প্রতি সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু-এর সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে দুই দেশের কূটনীতিকরা জানান, বাংলাদেশকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ও চীন সহযোগিতায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও চীন ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করবে এবং বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে চীন প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আগ্রহী।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাওয়া গেছে এবং তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম বলেন, বিকল্প হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে জরুরি ভিত্তিতে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিতে হবে। তবে দূরত্ব বেশি হওয়ায় এসব উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গেলে যে দেশ আগে কার্গো পাবে, সবাই সেখানেই ঝুঁকে পড়বে।