বৃহস্পতিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › স্টারলিঙ্কের গতি কমানোর দায় মার্কিন সরকারের, দাবি ইলন মাস্কের

স্টারলিঙ্কের গতি কমানোর দায় মার্কিন সরকারের, দাবি ইলন মাস্কের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
স্টারলিঙ্কের গতি কমানোর দায় মার্কিন সরকারের, দাবি ইলন মাস্কের

ইউক্রেনের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেটের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নেটওয়ার্কে নতুন গতিসীমা আরোপের ফলে ইউক্রেনের বেশ কিছু দ্রুতগতির অস্ত্র ও ড্রোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক অভিযান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে স্টারলিঙ্ক নেটওয়ার্কে ঘণ্টায় ১০০ মাইল বা প্রায় ১৬০ কিলোমিটার গতিসীমা আরোপ করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুতগতিতে চলা অস্ত্র ও ড্রোনগুলো নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।


বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে স্টারলিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।


ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, সামরিক কাজে ব্যবহৃত স্টারশিল্ড সেবাটির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের হাতে। ফলে এ সেবার ব্যবহার কিংবা এতে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত মার্কিন কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারভুক্ত।


অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিষয়টিকে প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ পুনরায় চালুর অনুরোধ জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইউক্রেনের কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করছেন, কিয়েভ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সঙ্গে এ সিদ্ধান্তের সম্পর্ক থাকতে পারে।


সম্প্রতি রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ডিজেল চুক্তির পর জেলেনস্কি নিজেকে ‘বিশ্বাসঘাতকতার শিকার’ বলে মন্তব্য করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


এমন রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই লন্ডনে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জেলেনস্কি। এ সময় যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে ড্রোন ধ্বংসে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করার এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।