রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন আইসিবিএম ও ‘রোবট নেকড়ে’ ড্রোনের উন্মোচন

চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন আইসিবিএম ও ‘রোবট নেকড়ে’ ড্রোনের উন্মোচন

favicon
অনলাইন সংস্করণ
চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন আইসিবিএম ও ‘রোবট নেকড়ে’ ড্রোনের উন্মোচন

চীনের সামরিক কুচকাওয়াজে নিজেদের সর্বাধুনিক অস্ত্র ভাণ্ডার প্রদর্শন করলেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনসহ অন্তত দুই ডজন বিশ্বনেতার উপস্থিতিতে চীন উন্মোচন করেছে একাধিক নতুন পারমাণবিক আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম), হাইপারসনিক সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত লেজার অস্ত্র এবং আলোচিত ‘রোবট নেকড়ে’ ড্রোন।


সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি কাড়ে ডিএফ-৫সি, ডিএফ-২৬ডি ও ডিএফ-৬১ আইসিবিএম—চীনের পারমাণবিক ভাণ্ডারের নতুন সংযোজন। বিশেষ করে ‘গুয়াম কিলার’ নামে পরিচিত ডিএফ–৬১ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌ-ঘাঁটি গুয়ামে আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানানো হয়।


প্রশান্ত মহাসাগরীয় ফোরামের গবেষক আলেকজান্ডার নিল বলেন, চীন তার ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট বাহিনীকে কৌশলগত প্রতিরোধ শক্তি হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আধিপত্যের পাল্টা ভারসাম্য তৈরি করা। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী রয়েছে, যেখানে বিমানবাহী রণতরী ও স্ট্রাইক গ্রুপ কার্যকর ভূমিকা রাখে।


তবে চীনের নতুন অস্ত্র উন্মোচনের পর পশ্চিমা প্রতিরক্ষা মহলে এসব রণতরীর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের মুখে মার্কিন জাহাজগুলো এখন অনেকটা ‘সিটিং ডাকস’ বা সহজ শিকারে পরিণত হতে পারে।


চীন এবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল ওয়াইজে-১৭ এবং হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ওয়াইজে-১৯ উন্মোচন করেছে। এছাড়া পানির নিচ থেকে আঘাত হানতে সক্ষম বৃহৎ স্বয়ংক্রিয় ড্রোন এজেএক্স০০২ প্রদর্শন করে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে।


এ ছাড়া কুচকাওয়াজে দেখানো হয় গোয়েন্দা কার্যক্রম ও মাইন শনাক্তকরণে সক্ষম রোবোটিক ‘নেকড়ে ড্রোন’।