ওয়ানডে দলে চমক: দুই বছর পর ফিরলেন নাঈম শেখ, বাদ পড়লেন সৌম্য সরকার
জাতীয় দলের হয়ে নাঈম শেখের শেষ কয়েকটি পারফরম্যান্স হতাশাজনক হলেও, ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্ম তাকে ফেরালো ওয়ানডে দলে। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যর্থতার কারণে দল থেকে বাদ পড়া এই ওপেনার সাম্প্রতিক ডিপিএল ও বিপিএলে রানের বন্যা বইয়ে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন।
এপ্রিলে শেষ হওয়া ডিপিএলে ১১ ম্যাচে ৬১৮ রান করে নাঈম হয়েছিলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। বিপিএলে করেন সর্বোচ্চ ৫১১ রান, ১৪ ম্যাচে। এই ধারাবাহিকতা তাকে প্রায় দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরিয়ে এনেছে।
নাঈমের দলে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে বাদ পড়েছেন সৌম্য সরকার। সম্প্রতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের বিপক্ষে ৫ বলে ডাক পেলেও তার আগের ইনিংসে করেছিলেন ৭৩ রান। ডিপিএলে করেছিলেন ৩৯৯ রান, ছিল একটি সেঞ্চুরিও। তবুও নির্বাচকদের মতে, তার সামগ্রিক পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়।
চমক হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন শামিম পাটোয়ারি, যিনি শেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে। তবে টি-২০ দলে নিয়মিত পারফর্ম করায় ওয়ানডেতে তার অন্তর্ভুক্তিকে বড় সিদ্ধান্ত বলছেন অনেকে।
তাসকিন আহমেদকে নিয়েও ছিল শঙ্কা। ইনজুরির কারণে লন্ডনে চিকিৎসা নিয়ে ফিরলেও, ফিজিও ও স্ট্রেন্থ ট্রেনারের ছাড়পত্রে দলে রাখা হয়েছে তাকে। যদিও তিনি সব ম্যাচ খেলবেন কিনা তা এখনই নিশ্চিত নয়।
এছাড়া তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমানরা প্রত্যাশিতভাবেই দলে জায়গা পেয়েছেন।
এ মাসেই মেহেদী হাসান মিরাজের কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব। দলে রয়েছেন সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। ওপেনার হিসেবে নাঈম শেখের সঙ্গে থাকছেন পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে ২ জুলাই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ যথাক্রমে ৫ ও ৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দুটি ম্যাচ হবে কলম্বোতে, শেষটি পাল্লেকেল্লেতে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে দল:
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস, জাকের আলী, শামিম হোসেন, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও হাসান মাহমুদ।