নির্বাচনের পাঁচ মাস আগেই বিতর্কে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাচন আসন্ন ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন এখনো পাঁচ মাস বাকি থাকতেই নানা নেতিবাচক প্রচারণা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিওএ।
মঙ্গলবার বিওএর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এবিএম শেফাউল কবীরের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, বিওএ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরিচালিত একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। কমিটির বর্তমান মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং কমিটির সদস্যরা নির্বাচিত প্রতিনিধি। সে অনুযায়ী, তাদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। নির্ধারিত সময়েই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বিওএ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং দেশের খেলাধুলার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে। তাই কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকলে গঠনমূলক সমালোচনাকে বিওএ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। তবে ভিত্তিহীন ও নেতিবাচক প্রচারণা কেবল কর্মকর্তাদের মনোবল নষ্টই করে না, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করে।
বিওএর ভাষ্যমতে, একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে এবং এমনকি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)-তে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টাও চালাচ্ছে। এসব প্রচেষ্টা নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা বলেই মনে করছে তারা।