শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
হোমখেলাদ্বি-স্তরের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডের আপত্তি, শীর্ষ দলগুলোর আয় ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা

দ্বি-স্তরের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডের আপত্তি, শীর্ষ দলগুলোর আয় ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা

favicon
অনলাইন সংস্করণ
দ্বি-স্তরের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডের আপত্তি, শীর্ষ দলগুলোর আয় ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা

আইসিসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় টেস্ট ক্রিকেটের জন্য দ্বি-স্তরের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ কাঠামো নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। ২০২৭ সাল থেকে এই কাঠামো চালুর বিষয়ে কাজ করছে আইসিসির একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ। উদ্দেশ্য—বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অর্থবহ করে তোলা।

তবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলশ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এতে সন্তুষ্ট নয়। ইসিবি চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ইংল্যান্ড যদি বাজে পারফর্ম করে দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যায়, তাহলে অস্ট্রেলিয়া বা ভারতের মতো দলের সঙ্গে ঐতিহাসিক সিরিজ—যেমন অ্যাশেজ বা অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি—আর অনুষ্ঠিত না-ও হতে পারে। এতে ইংল্যান্ডের রাজস্বে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘‘দ্বিপাক্ষিক সিরিজের গুরুত্ব এখন কমে যাচ্ছে। অনেক অপশন থাকলেও, দ্বি-স্তরই কি সবচেয়ে ভালো সমাধান, তা নিশ্চিত নই। বরং ডব্লিউটিসির বর্তমান কাঠামোতেই কিছু পরিবর্তন এনে আরও কার্যকর করা সম্ভব।

ইসিবির এই অবস্থানের পেছনে রয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্য রক্ষা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। একইসঙ্গে অন্য দেশগুলোও দ্বি-স্তরের প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যেমন—

  • নিচের স্তরে গেলে আইসিসি থেকে কম অর্থ পাওয়ার আশঙ্কা

  • মর্যাদা হানির ভয়

  • ইগো বা ‘অভিমান’ এর প্রশ্ন

অন্যদিকে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও টড গ্রিনবার্গ মনে করেন, বড় দলগুলোর দায়িত্ব ছোট দলগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করা। তিনি বলেন, ‘‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলো একা পারবে না। আমাদের সবার সমর্থন দরকার।’’

আইসিসির ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ৮ সদস্যের কমিটিতে এমন দেশগুলোরও প্রতিনিধি থাকবেন, যারা টেস্ট খেলে না। ২০২৭-৩১ সালের বাণিজ্যিক চক্রের সম্প্রচার স্বত্ব নিলামের আগে আইসিসি এই কাঠামোর ভবিষ্যৎ চূড়ান্ত করতে চায়।