শনিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › সরকারি চাকরিতে আন্দোলনে গেলে বরখাস্তের বিধান

সরকারি চাকরিতে আন্দোলনে গেলে বরখাস্তের বিধান

favicon
অনলাইন সংস্করণ
সরকারি চাকরিতে আন্দোলনে গেলে বরখাস্তের বিধান

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দ্বিতীয় সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরে এই অধ্যাদেশ প্রকাশিত হয়।


নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি নিজে কর্মবিরতিতে যান কিংবা অন্য কোনো কর্মচারীকে কাজ থেকে বিরত রাখতে চাপ দেন বা বাধা দেন, তবে সেটিকে "সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ" হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতি বা চাকরিচ্যুতির মতো শাস্তি দেওয়া যাবে।


ধারা ৩৭(ক)-এ বলা হয়েছে, বৈধ আদেশ অমান্য, অন্যদের প্ররোচনা, কিংবা যৌথভাবে কর্মবিরতি—এইসব কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদান করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হবে। শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগও থাকবে।


তবে, রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী শুধুমাত্র ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন। এ ধরনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।


এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং “সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” নামে পরিচিত হবে।


সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-তে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দ্বিতীয় সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরে এই অধ্যাদেশ প্রকাশিত হয়।


নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি নিজে কর্মবিরতিতে যান কিংবা অন্য কোনো কর্মচারীকে কাজ থেকে বিরত রাখতে চাপ দেন বা বাধা দেন, তবে সেটিকে "সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ" হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতি বা চাকরিচ্যুতির মতো শাস্তি দেওয়া যাবে।


ধারা ৩৭(ক)-এ বলা হয়েছে, বৈধ আদেশ অমান্য, অন্যদের প্ররোচনা, কিংবা যৌথভাবে কর্মবিরতি—এইসব কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নোটিশ প্রদান করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হবে। শুনানিতে অংশগ্রহণের সুযোগও থাকবে।


তবে, রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না। দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মচারী শুধুমাত্র ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন। এ ধরনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।


এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং “সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” নামে পরিচিত হবে।