গণভোট উপলক্ষে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পরিবেশবান্ধব ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ ইসির
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের সচেতন করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বিশেষ পরিবেশবান্ধব ব্যানার টাঙানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী সংবিধানের কয়েকটি প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ের লক্ষ্যে এই গণভোট আয়োজন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সামনে বা দৃশ্যমান স্থানে নির্ধারিত প্রশ্নসংবলিত একটি করে ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে।
নির্দেশনায় ইসি জানায়, পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ব্যানার তৈরির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যানারগুলো হবে ৮০ শতাংশ প্রাকৃতিক কটন ও ২০ শতাংশ ভিসকস মিশ্রিত পরিবেশবান্ধব ফেব্রিকের, যা রিঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল প্রিন্টে প্রস্তুত করতে হবে। প্রতিটি ব্যানারের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ ফুট বাই ৫ ফুট।
ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ প্রতিটি ব্যানারের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮৬ টাকা। ব্যানারের ওপর ও নিচে পিভিসি পাইপ এবং ঝোলানোর হুক সংযুক্ত থাকতে হবে।
ইসি আরও জানায়, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ অনুসরণ করে স্থানীয়ভাবে ব্যানার মুদ্রণ করতে হবে। ক্রয় পরিকল্পনা ই-জিপি পোর্টালে প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে অফলাইনে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী ক্রয় পরিকল্পনা ই-জিপি পোর্টালে প্রকাশ করতে হবে।
দেশের সব সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের পর বিপিপিএ কর্তৃক জারিকৃত আদর্শ দরপত্র দলিল ব্যবহার করে এই ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সামনে বা দৃশ্যমান স্থানে এসব ব্যানার প্রদর্শন নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।