রবিবার , ৩১ মে ২০২৬
রবিবার , ৩১ মে ২০২৬
হোমবিশ্বনরওয়ের ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলে মালয়েশিয়ার ক্ষোভ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ‘স্থায়ী ক্ষত’ আশঙ্কা

নরওয়ের ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলে মালয়েশিয়ার ক্ষোভ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ‘স্থায়ী ক্ষত’ আশঙ্কা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
নরওয়ের ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলে মালয়েশিয়ার ক্ষোভ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ‘স্থায়ী ক্ষত’ আশঙ্কা

নরওয়ের তৈরি নৌবাহিনীর জন্য নির্ধারিত নেভাল স্ট্রাইক মিসাইল (এনএসএম) সরবরাহের রপ্তানি লাইসেন্স বাতিলের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি মোহাম্মদ খালেদ নুরদিন বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়া ও নরওয়ের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে ‘স্থায়ী ক্ষত’ সৃষ্টি করেছে।

রোববার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত শ্যাংরি-লা ডায়ালগ ২০২৬-এর ফাঁকে নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তোরে ও. সান্দভিকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খালেদ নুরদিন জানান, ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের মার্চ মাসে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নরওয়ে রপ্তানি লাইসেন্স বাতিল করে, যা মালয়েশিয়ার জন্য বড় ধরনের হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং লাইসেন্স বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তবে যেভাবে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে এবং মালয়েশিয়াকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তা দুই দেশের অংশীদারিত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

মালয়েশিয়ার উদ্বেগের তিনটি প্রধান কারণ তুলে ধরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রথমত, মার্চে সরবরাহ পাওয়ার কথা থাকলেও এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সিদ্ধান্তটি একতরফাভাবে নেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, মালয়েশিয়া যে অর্থ পরিশোধ করেছে তা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, নরওয়ে সরকার চাইলে মালয়েশিয়ার অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারত এবং পরে প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কংসবার্গ ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এএস-এর কাছ থেকে সেই অর্থ আদায় করতে পারত। এতে প্রকৃত অংশীদারিত্বের পরিচয় মিলত।