শুক্রবার , ০৫ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ০৫ জুন ২০২৬
হোমবিশ্বইরান যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলার ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ভোটে চারজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেন। বিশ্লেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা চতুর্থ প্রচেষ্টা। সমালোচকরা দাবি করছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তবে প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি কার্যকর হতে হলে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন, যেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট চাইলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও রাখেন, সেক্ষেত্রে আইন কার্যকর করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে। এর আগে একাধিকবার প্রতিনিধি পরিষদে একই ধরনের ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাব তোলা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ নেয়নি।

ইরান যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলার ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ভোটে চারজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেন। বিশ্লেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা চতুর্থ প্রচেষ্টা। সমালোচকরা দাবি করছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। তবে প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি কার্যকর হতে হলে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন, যেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট চাইলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও রাখেন, সেক্ষেত্রে আইন কার্যকর করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে। এর আগে একাধিকবার প্রতিনিধি পরিষদে একই ধরনের ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাব তোলা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ নেয়নি।

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ইরান যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলার ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছে।  বুধবার (৩ জুন) প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ভোটে চারজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেন।  বিশ্লেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা চতুর্থ প্রচেষ্টা। সমালোচকরা দাবি করছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।  তবে প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি কার্যকর হতে হলে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন, যেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট চাইলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও রাখেন, সেক্ষেত্রে আইন কার্যকর করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে।  এর আগে একাধিকবার প্রতিনিধি পরিষদে একই ধরনের ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাব তোলা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ নেয়নি।

ইরান যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাস হয়েছে, যেখানে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলার ক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছে।


বুধবার (৩ জুন) প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আনা ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাবটি ২১৫-২০৮ ভোটে পাস হয়। ভোটে চারজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে যোগ দেন।


বিশ্লেষকদের মতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার উদ্দেশ্যে করা চতুর্থ প্রচেষ্টা। সমালোচকরা দাবি করছেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই প্রশাসনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।


তবে প্রস্তাবটি এখনই আইনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা কম। এটি কার্যকর হতে হলে রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন, যেখানে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট চাইলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও রাখেন, সেক্ষেত্রে আইন কার্যকর করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে।


এর আগে একাধিকবার প্রতিনিধি পরিষদে একই ধরনের ‘ওয়ার পাওয়ারস’ প্রস্তাব তোলা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ নেয়নি।