বৃহস্পতিবার , ২৫ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২৫ জুন ২০২৬
হোমখেলাব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সুখবর। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিরতে যাচ্ছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিলের উইঙ্গার গাব্রিয়েল মার্তিনেলি। কাফ মাসলের চোটের কারণে গত মে মাস থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করে গত সপ্তাহে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্তিনেলি বলেন, “নেইমার মাঠে ফেরার জন্য খুবই উদগ্রীব। সবাই তার সামর্থ্য সম্পর্কে জানে। সে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আমাদের দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা দলের জন্য বড় শক্তি।” ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিও জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাবে। তবে তিনি প্রথম একাদশে নয়, বেঞ্চ থেকে ম্যাচ শুরু করবেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামতে যাচ্ছেন নেইমার। অনেকের ধারণা, এটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ, ফলে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে। বর্তমানে গ্রুপ ‘সি’-তে চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করাই ব্রাজিলের প্রধান লক্ষ্য। এ বিষয়ে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে চাই। এতে আমাদের মায়ামিতেই অবস্থান বজায় থাকবে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলে মেক্সিকোতে যেতে হবে, যা পুরো পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। তাই জয়ের বিকল্প আমরা ভাবছি না।” নেইমারের প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সুখবর। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিরতে যাচ্ছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিলের উইঙ্গার গাব্রিয়েল মার্তিনেলি। কাফ মাসলের চোটের কারণে গত মে মাস থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করে গত সপ্তাহে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্তিনেলি বলেন, “নেইমার মাঠে ফেরার জন্য খুবই উদগ্রীব। সবাই তার সামর্থ্য সম্পর্কে জানে। সে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আমাদের দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা দলের জন্য বড় শক্তি।” ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিও জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাবে। তবে তিনি প্রথম একাদশে নয়, বেঞ্চ থেকে ম্যাচ শুরু করবেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামতে যাচ্ছেন নেইমার। অনেকের ধারণা, এটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ, ফলে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে। বর্তমানে গ্রুপ ‘সি’-তে চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করাই ব্রাজিলের প্রধান লক্ষ্য। এ বিষয়ে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে চাই। এতে আমাদের মায়ামিতেই অবস্থান বজায় থাকবে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলে মেক্সিকোতে যেতে হবে, যা পুরো পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। তাই জয়ের বিকল্প আমরা ভাবছি না।” নেইমারের প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সুখবর। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিরতে যাচ্ছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিলের উইঙ্গার গাব্রিয়েল মার্তিনেলি।  কাফ মাসলের চোটের কারণে গত মে মাস থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করে গত সপ্তাহে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন তিনি।  সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্তিনেলি বলেন, “নেইমার মাঠে ফেরার জন্য খুবই উদগ্রীব। সবাই তার সামর্থ্য সম্পর্কে জানে। সে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আমাদের দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা দলের জন্য বড় শক্তি।”  ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিও জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাবে। তবে তিনি প্রথম একাদশে নয়, বেঞ্চ থেকে ম্যাচ শুরু করবেন।  ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামতে যাচ্ছেন নেইমার। অনেকের ধারণা, এটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ, ফলে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে।  বর্তমানে গ্রুপ ‘সি’-তে চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করাই ব্রাজিলের প্রধান লক্ষ্য।  এ বিষয়ে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে চাই। এতে আমাদের মায়ামিতেই অবস্থান বজায় থাকবে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলে মেক্সিকোতে যেতে হবে, যা পুরো পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। তাই জয়ের বিকল্প আমরা ভাবছি না।”  নেইমারের প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য সুখবর। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফিরতে যাচ্ছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাজিলের উইঙ্গার গাব্রিয়েল মার্তিনেলি।


কাফ মাসলের চোটের কারণে গত মে মাস থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করে গত সপ্তাহে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন তিনি।


সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্তিনেলি বলেন, “নেইমার মাঠে ফেরার জন্য খুবই উদগ্রীব। সবাই তার সামর্থ্য সম্পর্কে জানে। সে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আমাদের দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা দলের জন্য বড় শক্তি।”


ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিও জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নেইমারকে পাওয়া যাবে। তবে তিনি প্রথম একাদশে নয়, বেঞ্চ থেকে ম্যাচ শুরু করবেন।


২০২৩ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামতে যাচ্ছেন নেইমার। অনেকের ধারণা, এটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ, ফলে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে।


বর্তমানে গ্রুপ ‘সি’-তে চার পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করাই ব্রাজিলের প্রধান লক্ষ্য।


এ বিষয়ে আনচেলত্তি বলেন, “আমরা স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে চাই। এতে আমাদের মায়ামিতেই অবস্থান বজায় থাকবে। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলে মেক্সিকোতে যেতে হবে, যা পুরো পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করবে। তাই জয়ের বিকল্প আমরা ভাবছি না।”


নেইমারের প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।