রবিবার , ২৩ আগস্ট ২০২৬
রবিবার , ২৩ আগস্ট ২০২৬
হোমআইন ও আদালতঢামেকের চিকিৎসককে মারধরের মামলায় ফারহান ৫ দিনের রিমান্ডে

ঢামেকের চিকিৎসককে মারধরের মামলায় ফারহান ৫ দিনের রিমান্ডে

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ঢামেকের চিকিৎসককে মারধরের মামলায় ফারহান ৫ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান, গলা (ইএনটি) ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, রক্তাক্ত জখম ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।


শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান।


আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রাইভেট চেম্বার শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ফিরছিলেন অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান। পথে আসামিরা বেআইনিভাবে সিএনজির গতিরোধ করে তাকে জোর করে নামিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


এতে তার ডান চোখ, মাথা ও দুই ঠোঁটের ওপর গুরুতর আঘাত ও ফোলা জখম হয়। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় ‘জীবন ওরফে আদিল’ নামে এজাহারভুক্ত এক আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. আসাদুর রহমানের পক্ষ থেকে তার স্ত্রী শাহানা সারমিনের মাধ্যমে এজাহার পাঠানো হলে ১৮ আগস্ট পল্টন মডেল থানায় মামলা করা হয়।


এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার কিছুদিন আগে অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে চিকিৎসকের কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।


পুলিশ জানায়, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানকে গত ২১ আগস্ট গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।


শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তির অন্য কোনো অপরাধে সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।