সোমবার , ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার , ২৪ আগস্ট ২০২৬
হোমআইন ও আদালত১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৫ জনের রিমান্ড

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৫ জনের রিমান্ড

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৫ জনের রিমান্ড

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ যুবকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান শুনানি শেষে তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন—লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।


রোববার আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এর আগে গত ১৯ আগস্ট একই মামলায় যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালাসহ ১৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৫২ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মুঠোফোন ও তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়।


এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ভাটারা থানায় মামলা করে পুলিশ। পরদিন ৫২ আসামিকে কারাগারে এবং আইনের সংস্পর্শে আসা দুই শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।


পরে গত ১৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক হাফিজুর রহমান ৫২ আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।


মামলার বিবরণে পুলিশ অভিযোগ করে, আটক ব্যক্তিদের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে তারা একত্র হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের দাবি।


পুলিশ আরও জানায়, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোকদিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিল সফল করার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। এ সময় তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।