‘চব্বিশের অভ্যুত্থান ভুলে গেলে তরুণরা জাগ্রত আছে’: হাসনাত
ক্ষমতা ও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সরকার ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের কথা ভুলে গেলে তাদের মনে করিয়ে দিতে চান তরুণরা এখনো জাগ্রত—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার দশম গ্রেডের নিয়োগ কার্যক্রম বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছ থেকে সরিয়ে নিজেদের কমিটির মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নিচ্ছে।
তিনি বলেন, অন্যান্য দশম গ্রেডের পদের মতো উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদেও দীর্ঘদিন ধরে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়, পিএসসি পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এবং পরে মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। তার মতে, এ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম ভালোভাবেই চলছে।
হাসনাতের দাবি, পিএসসির অধীনে চলমান নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার কথা বলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটিটি নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে কাজ করবে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, পিএসসি কি নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে? পিএসসি কোথাও এমন কথা বলেনি যে তারা কাজটি করতে পারছে না। তার অভিযোগ, এর মাধ্যমে সরকার নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এর পেছনে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া কিংবা দুর্নীতির সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত আরও বলেন, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের সূত্রপাত হয়েছিল সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্যের প্রতিবাদ থেকে। সেই আন্দোলনই পরে বড় ধরনের অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে দুর্নীতির মাধ্যমে লাভবান হওয়ার চিন্তা ইতিবাচক কোনো ফল বয়ে আনবে না বলেও সতর্ক করেন এনসিপির এই নেতা।