সোমবার , ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার , ২৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › আইন ও আদালত › জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: আওয়ামী লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: আওয়ামী লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: আওয়ামী লীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা



জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রসিকিউশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


অভিযুক্ত সাত নেতা হলেন আমির হোসেন আমু, দীপু মনি, শাজাহান খান, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, মির্জা আজম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।


প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, তদন্ত সংস্থার জমা দেওয়া প্রতিবেদনটি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে।


যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে


তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা, উসকানি ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।


প্রতিবেদনে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন ও অন্যান্য অমানবিক কর্মকাণ্ডে প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধে ব্যর্থতা, দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত না করা এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগও রয়েছে।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আসামিদের দায় এখনো আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়নি।


চার নেতার বিরুদ্ধে প্রথমবার বিচার শুরুর সম্ভাবনা


প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাত আসামির মধ্যে আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান ও মির্জা আজমের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রথমবারের মতো বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল এবং ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর বিষয়টি নির্ভর করছে।


অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলন দমনে তাঁদের কথিত ভূমিকা, নির্দেশনা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উঠে এসেছে।


এখন প্রসিকিউশনের যাচাই-বাছাই শেষে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। বিচার শেষে আদালতের রায়ের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসামিদের দায় নির্ধারিত হবে।