সোমবার , ০২ নভেম্বর ২০২৬
সোমবার , ০২ নভেম্বর ২০২৬
হোম › অর্থনীতি-ব্যবসা › বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির টাকা পাঠানোর সেবা চালু

বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির টাকা পাঠানোর সেবা চালু

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির টাকা পাঠানোর সেবা চালু

বাংলা কিউআর ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে সরাসরি টাকা পাঠানোর সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (১ নভেম্বর) থেকে চালু হওয়া এ সেবার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির ব্যক্তিগত কিউআর কোড স্ক্যান করেই সহজে টাকা পাঠাতে পারবেন।


বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন এ সেবার আওতায় টাকা পাঠানোর জন্য প্রাপকের মোবাইল নম্বর কিংবা ব্যাংক হিসাব নম্বর আলাদাভাবে টাইপ করার প্রয়োজন হবে না। প্রাপকের বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের পরই লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, এ উদ্যোগের ফলে ব্যক্তিপর্যায়ে ডিজিটাল অর্থ স্থানান্তর আরও সহজ হবে। পাশাপাশি দৈনন্দিন লেনদেনে নগদ টাকার ব্যবহার কমবে এবং ক্যাশলেস অর্থনীতির প্রসার ঘটবে।


**যেভাবে বাংলা কিউআরে টাকা পাঠাবেন**


নতুন ব্যবস্থায় ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপ ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা প্রত্যেকে একটি করে ব্যক্তিগত বাংলা কিউআর কোড পাবেন।


টাকা পাঠানোর সময় প্রাপক নিজের মোবাইলের পর্দায় ওই কোড দেখাবেন। এরপর প্রেরক নিজের ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার অ্যাপ ব্যবহার করে কোডটি স্ক্যান করেই টাকা পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘ ব্যাংক হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বর কিংবা ১১ অঙ্কের মোবাইল নম্বর আলাদাভাবে দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।


**দূরে থেকেও পাঠানো যাবে টাকা**


প্রাপক দূরে থাকলেও এ পদ্ধতিতে টাকা পাঠানো যাবে। সে ক্ষেত্রে প্রাপক নিজের ব্যক্তিগত কিউআর কোডের ছবি প্রেরকের কাছে পাঠাতে পারবেন। প্রেরক নিজের মোবাইলের গ্যালারি থেকে ছবিটি নির্বাচন করে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।


**লেনদেনের আগে যাচাই করা যাবে প্রাপকের তথ্য**


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, কিউআর কোড স্ক্যান করা বা ছবি আপলোড করার পরপরই পর্দায় প্রাপকের নাম ও হিসাব নম্বরের সংক্ষিপ্ত অংশ দেখা যাবে। ফলে টাকা পাঠানোর আগে প্রাপকের পরিচয় ও হিসাবের তথ্য যাচাই করার সুযোগ থাকবে।


এতে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। সংশ্লিষ্টদের আশা, বাংলা কিউআরভিত্তিক ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির টাকা পাঠানোর এ সেবা দেশে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়াতে এবং নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভূমিকা রাখবে।