লালমনিরহাটে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত একটি বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লালমনিরহাট বিমানবন্দর ভারতের সীমান্ত থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এটি সিলিগুড়ি করিডরের (চিকেন নেক) কাছে হওয়ায় কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল। তবে বাস্তবে গুগল ম্যাপসহ বিভিন্ন মানচিত্র অনুযায়ী বিমানবন্দরটি শিলিগুড়ি করিডর থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দূরে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, চীনের সহায়তায় যদি বাংলাদেশ বিমানবন্দরটি সংস্কার করে, তবে সেখানে সামরিক সরঞ্জাম যেমন যুদ্ধবিমান, নজরদারি যন্ত্র বা রাডার স্থাপন করা হতে পারে। এ সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে ভারতও ত্রিপুরার কাইলাশহর বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে, যদিও এটি মূলত বেসামরিক বিমানবন্দর হিসেবেই ব্যবহৃত হবে।
এনডিটিভি আরও দাবি করেছে, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন প্রশাসনের চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রবণতা ভারতের জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লালমনিরহাট বিমানবন্দর পুনরায় চালুর পরিকল্পনা জাতীয় প্রয়োজনে নেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর অপারেশন বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উল-দৌলা বলেন, দেশের এভিয়েশন সক্ষমতা বাড়ছে, সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয়তা মেটাতেই বিমানবন্দরটি চালু করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এর পরিধি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণও চলবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ঐ এলাকাতেই একটি এরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হচ্ছে — যা বিমানবন্দরটির কার্যকারিতাকে আরও বাড়াবে।
তিনি বলেন, “এটি একটি জাতীয় সম্পদ এবং দেশের প্রয়োজনেই এটি ব্যবহার করা হবে।