সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › নেতানিয়াহুর ক্ষমা চাওয়ায় ইসরায়েলে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা

নেতানিয়াহুর ক্ষমা চাওয়ায় ইসরায়েলে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা

favicon
অনলাইন সংস্করণ
নেতানিয়াহুর ক্ষমা চাওয়ায় ইসরায়েলে তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতা

কাতারে হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমা প্রার্থনার ঘটনায় ইসরায়েলে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কট্টর-ডানপন্থী মন্ত্রী ও নেতারা প্রকাশ্যে এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।


হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানিকে ফোন করে নেতানিয়াহু হামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি স্বীকার করেন, হামলায় অনিচ্ছাকৃতভাবে একজন কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন এবং কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না।


কাতার সরকারও নিশ্চিত করেছে যে নেতানিয়াহু দোহাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিশ্চয়তাকে স্বাগত জানিয়েছে। কাতার জানায়, তারা গাজার শান্তি প্রচেষ্টায় মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখবে।


এ ঘটনায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির কাতারকে "সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী রাষ্ট্র" বলে আখ্যা দিয়ে হামলাকে ন্যায্য ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ক্ষমা প্রার্থনাকে "চাটুকারপূর্ণ ও লজ্জাজনক" হিসেবে বর্ণনা করেন। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগডোর লিবারম্যানও নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তকে "অবিশ্বাস্য" বলে সমালোচনা করেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় বিভাজন তৈরি করেছে। কট্টর-ডানপন্থীরা মনে করছেন, এতে আঞ্চলিক কূটনীতি ও সামরিক শক্তির প্রতি দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে।


উল্লেখ্য, সেপ্টেম্বরের শুরুতে দোহায় চালানো ওই হামলায় পাঁচজন হামাস কর্মকর্তা ও একজন কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন। হামাস তখন গাজার চলমান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় যুক্ত ছিল। হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলেও তীব্র নিন্দা ঝড়ে পড়ে।


সূত্র: প্রেস টিভি