বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
হোমরাজনীতিকৃষকের হাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ — বিশ্ব খাদ্য দিবসে তারেক রহমানের অঙ্গীকার

কৃষকের হাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ — বিশ্ব খাদ্য দিবসে তারেক রহমানের অঙ্গীকার

favicon
অনলাইন সংস্করণ
কৃষকের হাতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ — বিশ্ব খাদ্য দিবসে তারেক রহমানের অঙ্গীকার

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে কৃষকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে কৃষকের হাতে, পুষ্ট হয়েছে তাদের ত্যাগে, আর শক্তি পেয়েছে তাদের অবিচল স্থিতিশীলতায়।”


গতকাল (১৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বগুড়ার উর্বর মাঠ থেকে বরিশালের ভাসমান বাগান পর্যন্ত প্রতিটি শস্যদানায় লুকিয়ে আছে কৃষকের সহনশীলতার গল্প এবং আমাদের সম্মিলিত ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।


তারেক রহমান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে সত্যিকারের খাদ্য নিরাপত্তা সম্ভব সরকারের, কৃষকের, উদ্যোক্তার এবং জনগণের যৌথ অংশীদারির মাধ্যমে, যেখানে সবাই মিলে গড়ে তুলবে একটি টেকসই খাদ্যব্যবস্থা।


তিনি স্মরণ করেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নির্ভরতা থেকে মর্যাদার পথে যাত্রা শুরু করেছিল। সেচ সম্প্রসারণ, খাল পুনরুদ্ধার ও একাধিক ফসল চাষের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হয়েছিল। পরে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মে এগিয়ে নিয়েছেন — সার ভর্তুকি, গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন এবং ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন।


তারেক রহমান বলেন, “আজ বাংলাদেশ যখন খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, পানি সংকট ও জলবায়ু হুমকির মুখে, তখন আমাদের সেই ভিত্তির ওপর আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে হবে — শুধু নিজেদের জন্য নয়, বরং তাদের জন্যও, যারা আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছে।”


তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে গিয়ে প্রতিটি পরিবার এখন মাসে মাত্র ছয় ডলারের খাদ্য সহায়তায় টিকে আছে।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাতে ১৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাত শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে খাদ্য অপচয় রোধ ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা হবে। তরুণদের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে যান্ত্রিকীকরণ, ড্রোন প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ ফান্ড প্রদান করা হবে।