১৭ বছর পর ইকবাল স্টেডিয়ামে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, অবকাঠামোগত অব্যবস্থায় ক্ষোভ
দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উত্তাপ ছড়াতে যাচ্ছে ফয়সালাবাদের ঐতিহাসিক ইকবাল স্টেডিয়াম। আগামীকাল (মঙ্গলবার) পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই নতুন করে প্রাণ ফিরবে এই ঐতিহ্যবাহী ভেন্যুতে। তবে ক্রিকেট উৎসবের আমেজের পাশাপাশি স্টেডিয়ামের নাজুক অবকাঠামো ও বছরের পর বছর অবহেলা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে শহরজুড়ে।
দর্শকদের অভিযোগ, প্রায় দুই দশক ধরে বড় কোনো সংস্কার হয়নি স্টেডিয়ামে। গ্যালারির প্রায় ৯০ শতাংশ অংশে নেই বসার আসন, দর্শকদের খেলা দেখতে হয় কংক্রিটের সিঁড়িতে বসে। তাছাড়া রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার মতো ছাউনি বা ছাদও নেই কোথাও।
আরও বিস্ময়ের বিষয়, স্টেডিয়ামটি পাঞ্জাব সরকার, পাঞ্জাব স্পোর্টস বোর্ড কিংবা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অধীনে নয়। এটি পরিচালিত হচ্ছে ইকবাল স্টেডিয়াম ম্যানেজমেন্ট কমিটি (আইএসএমসি) নামের একটি স্বতন্ত্র সংস্থার মাধ্যমে। নয় সদস্যের এই কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রয়েছেন।
আইএসএমসি প্রতিবছর প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ রুপি আয় করে, যেখানে ব্যয় মাত্র ৩ কোটি ৯ লাখ রুপি। স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে থাকা শতাধিক দোকান, অফিস, রেস্টুরেন্ট ও বিনোদনকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত আয় সরাসরি আইএসএমসির অ্যাকাউন্টে জমা হয়, প্রাদেশিক কোষাগারে নয়।
গত বছর অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নস ক্রিকেট কাপ ২০২৪ আয়োজনেও আইএসএমসি এক টাকাও ব্যয় করেনি। নিরাপত্তা ও লজিস্টিক খরচের পুরো ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি বহন করেছে পাঞ্জাব সরকার, আর টিকিট বিক্রি থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে পিসিবি।
এই বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের দাবি, ইকবাল স্টেডিয়ামকে দ্রুত পিসিবির অধীনে আনা হোক এবং লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের মতো আধুনিকীকরণ করা হোক।
এদিকে রোববার দক্ষিণ আফ্রিকা দল ফয়সালাবাদে পৌঁছালে, বিমানবন্দর থেকে শহরমুখী সব সড়কে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং অস্থায়ীভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের উত্তাপ ছড়াতে যাচ্ছে ফয়সালাবাদের ঐতিহাসিক ইকবাল স্টেডিয়াম। আগামীকাল (মঙ্গলবার) পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই নতুন করে প্রাণ ফিরবে এই ঐতিহ্যবাহী ভেন্যুতে। তবে ক্রিকেট উৎসবের আমেজের পাশাপাশি স্টেডিয়ামের নাজুক অবকাঠামো ও বছরের পর বছর অবহেলা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে শহরজুড়ে।
দর্শকদের অভিযোগ, প্রায় দুই দশক ধরে বড় কোনো সংস্কার হয়নি স্টেডিয়ামে। গ্যালারির প্রায় ৯০ শতাংশ অংশে নেই বসার আসন, দর্শকদের খেলা দেখতে হয় কংক্রিটের সিঁড়িতে বসে। তাছাড়া রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করার মতো ছাউনি বা ছাদও নেই কোথাও।
আরও বিস্ময়ের বিষয়, স্টেডিয়ামটি পাঞ্জাব সরকার, পাঞ্জাব স্পোর্টস বোর্ড কিংবা পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অধীনে নয়। এটি পরিচালিত হচ্ছে ইকবাল স্টেডিয়াম ম্যানেজমেন্ট কমিটি (আইএসএমসি) নামের একটি স্বতন্ত্র সংস্থার মাধ্যমে। নয় সদস্যের এই কমিটিতে সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রয়েছেন।
আইএসএমসি প্রতিবছর প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ রুপি আয় করে, যেখানে ব্যয় মাত্র ৩ কোটি ৯ লাখ রুপি। স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে থাকা শতাধিক দোকান, অফিস, রেস্টুরেন্ট ও বিনোদনকেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত আয় সরাসরি আইএসএমসির অ্যাকাউন্টে জমা হয়, প্রাদেশিক কোষাগারে নয়।
গত বছর অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নস ক্রিকেট কাপ ২০২৪ আয়োজনেও আইএসএমসি এক টাকাও ব্যয় করেনি। নিরাপত্তা ও লজিস্টিক খরচের পুরো ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি বহন করেছে পাঞ্জাব সরকার, আর টিকিট বিক্রি থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করেছে পিসিবি।
এই বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের দাবি, ইকবাল স্টেডিয়ামকে দ্রুত পিসিবির অধীনে আনা হোক এবং লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের মতো আধুনিকীকরণ করা হোক।
এদিকে রোববার দক্ষিণ আফ্রিকা দল ফয়সালাবাদে পৌঁছালে, বিমানবন্দর থেকে শহরমুখী সব সড়কে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং অস্থায়ীভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।