বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
হোমরাজনীতি‘এক মাসের মধ্যে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করুন’:নাহিদ ইসলাম

‘এক মাসের মধ্যে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করুন’:নাহিদ ইসলাম

favicon
অনলাইন সংস্করণ
‘এক মাসের মধ্যে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করুন’:নাহিদ ইসলাম

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায় আগামী এক মাসের মধ্যেই কার্যকর করতে হবে এবং শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।


নাহিদ ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যেহেতু ভারত সফর করছেন, তিনি যেন শেখ হাসিনাকে সঙ্গে করে দেশে ফিরিয়ে আনেন।


তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মী এবং অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা উচিত। বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলেও তা অব্যাহত রেখে পরবর্তী মামলাগুলোর রায় দ্রুত ঘোষণা ও কার্যকর করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


এনসিপির আহ্বায়ক জানান, জুলাই বিপ্লবে নিহত ও আহতদের ওপর যে নির্যাতন ও সহিংসতা চালানো হয়েছিল, তার প্রতিশোধ আজ ন্যায়বিচারের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম, খুন, মানবাধিকার লঙ্ঘন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর ও জুলাইয়ের ঘটনাসহ বহু অপরাধ সংঘটিত হয়েছে—এই রায় সেই অমানবিকতার বিরুদ্ধে মাইলফলক।


তিনি বলেন, “আমরা শুধু রায় ঘোষণায় সন্তুষ্ট নই; আমরা সন্তুষ্ট হব যেদিন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাস্তবে কার্যকর হবে।” তাঁর ভাষ্য, রায় কার্যকর হলেই শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে এবং ভিকটিম পরিবারগুলো ন্যায়বিচার অনুভব করবে।


নাহিদ ইসলাম আরও দাবি করেন, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে অপরাধী প্রমাণিত হলেও দল হিসেবে আওয়ামী লীগও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী। তাই দলটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করার আহ্বান জানান তিনি।


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাবেক আইজিপি রাজসাক্ষী হলেও তাঁর পাঁচ বছরের সাজা যথেষ্ট নয়, আরও কঠোর শাস্তি প্রয়োজন ছিল।