আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা তারেক রহমানের
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় হলো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতি কঠোরভাবে দমন করা। তিনি বলেন, বিএনপি অতীতে ক্ষমতায় থাকাকালে দলের কেউ অন্যায় করলেও ছাড় দেওয়া হয়নি, ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে না।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
নির্বাচনে জনগণের সমর্থন কামনা করে তিনি বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন এবং ধানের শীষে ভোট দিন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ফজরের নামাজ শেষে কেন্দ্রে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছর জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং আবারও একই ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। তাই জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উৎপাদন বাড়াতে হবে এবং কৃষকদের সহায়তার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে, যাতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন।
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, খাল-নালা ভরাট ও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির শাসনামলে চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করলে চট্টগ্রামে আরও ইপিজেড স্থাপন করা হবে এবং চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।