শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
হোমবিশ্ব২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫ শতাংশ বাড়ালো ভারত

২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫ শতাংশ বাড়ালো ভারত

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫ শতাংশ বাড়ালো ভারত

প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়েছে ভারত। ২০২৬–২৭ অর্থবছরে দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৮৫ হাজার কোটি রুপি, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়, নৌবহর শক্তিশালীকরণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকীকরণে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

রোববার ভারতের পার্লামেন্টে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারামান। বাজেট ঘোষণায় তিনি জানান, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে ভারতের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে প্রতিরক্ষা খাতে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে।

নতুন বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের মধ্যে মূলধন ব্যয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি রুপি এবং রাজস্ব ব্যয়ে প্রায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি রুপি। এই দুই খাতে বরাদ্দ বেড়েছে যথাক্রমে ২১ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ।

ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে বাড়তি বরাদ্দে মন্ত্রণালয় সন্তুষ্ট। তার মতে, এই অর্থ সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, এ বাজেট জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০৪৭ সালের মধ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য অর্জনে শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনী আধুনিকীকরণে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ দশমিক ১৯ লাখ কোটি রুপি। এই অর্থ দিয়ে রাফাল যুদ্ধবিমান, আধুনিক সাবমেরিন, ড্রোনসহ বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র কেনা হবে এবং নৌবাহিনীর আধুনিকায়নেও বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা হবে।

এ ছাড়া বেসামরিক ও প্রশিক্ষণ বিমান তৈরিতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক মওকুফ এবং বিমান যন্ত্রাংশের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে শুল্কছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতের আধুনিকীকরণই নয়াদিল্লির মূল অগ্রাধিকার।

এদিকে, নতুন বাজেটে প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক সহায়তাও ঘোষণা করা হয়েছে। ভুটানের জন্য সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৬ লাখ রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নেপাল পাবে ৮শ কোটি, শ্রীলঙ্কা ৪শ কোটি এবং আফগানিস্তান পাবে দেড়শ কোটি রুপি। বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি রুপি, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় কম।