বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
বুধবার , ২৪ জুন ২০২৬
হোমরাজনীতিক্যান্টনমেন্টে বাকবিতণ্ডা: জামায়াত প্রার্থীর নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আলটিমেটাম এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

ক্যান্টনমেন্টে বাকবিতণ্ডা: জামায়াত প্রার্থীর নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আলটিমেটাম এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ক্যান্টনমেন্টে বাকবিতণ্ডা: জামায়াত প্রার্থীর নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আলটিমেটাম এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গানম্যানসহ প্রবেশের সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এ ঘটনায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। তা না হলে তাকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পিএনজি (পারসোনা নন গ্রাটা) ঘোষণার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।


মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব.) স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা-১৭ আসনের ওই প্রার্থী ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা করেন। নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা দিলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং দায়িত্বরত সেনাসদস্যদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করা হয়।


সংগঠনটির মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও আচরণ সামরিক বাহিনীর মনোবল, মর্যাদা এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক পরিচয় কাউকে সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে থাকার অধিকার দেয় না। ক্যান্টনমেন্ট কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের স্থান নয়; এটি একটি সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এলাকা।


এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডা. খালিদুজ্জামান যদি নিঃশর্ত ক্ষমা না চান এবং ভবিষ্যতে এমন আচরণ না করার অঙ্গীকার না করেন, তাহলে তাকে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পিএনজি ঘোষণার দাবি জানানো হবে। রাষ্ট্রের আইন, সামরিক বাহিনীর মর্যাদা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


এর আগে খালিদুজ্জামানের ৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, গানম্যানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের চেষ্টা করলে দায়িত্বরত সেনাসদস্যরা তাকে বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটি হয়।


ভিডিওতে এক সেনাসদস্যকে বলতে শোনা যায়, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অস্ত্রসহ প্রবেশ নিষিদ্ধ। এ সময় প্রার্থীকে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করতেও দেখা যায়। পরে মোবাইল ফোনে এক সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেও কোনো নির্দেশনা না পেয়ে তিনি স্থান ত্যাগ করেন।


ঘটনার পর দুপুরে ডা. খালিদুজ্জামান ফেসবুকে এক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তার এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কঠোর বিবৃতি ও আলটিমেটাম দেওয়া হয়।