শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
হোমবিশ্বজাপানের জলসীমায় চীনা মাছ ধরার নৌযান আটক, নতুন করে বাড়তে পারে টোকিও-বেইজিং উত্তেজনা

জাপানের জলসীমায় চীনা মাছ ধরার নৌযান আটক, নতুন করে বাড়তে পারে টোকিও-বেইজিং উত্তেজনা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জাপানের জলসীমায় চীনা মাছ ধরার নৌযান আটক, নতুন করে বাড়তে পারে টোকিও-বেইজিং উত্তেজনা

অবশ্যই — নিচে সংবাদটি নতুনভাবে রিরাইট করে পেশাদার নিউজ স্টাইলে শিরোনামসহ দেওয়া হলো:


শিরোনাম:


জাপানের জলসীমায় চীনা মাছ ধরার নৌযান আটক, নতুন করে বাড়তে পারে টোকিও-বেইজিং উত্তেজনা


রিরাইট সংবাদ:


জাপানের জলসীমায় একটি চীনা মাছ ধরার নৌযান আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির মৎস্য সংস্থা। কর্তৃপক্ষের দাবি, তল্লাশির জন্য থামার নির্দেশ দেওয়া হলেও নৌযানটি পালানোর চেষ্টা করলে অভিযান চালিয়ে সেটিকে জব্দ করা হয়।


শুক্রবার জাপানের মৎস্য সংস্থা জানায়, ৪৭ বছর বয়সী এক চীনা নাগরিক নৌযানটির ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নাগাসাকি প্রিফেকচারের জলসীমায় নৌযানটি শনাক্ত করা হয়। পরিদর্শনের নির্দেশ অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করায় একই দিন ক্যাপ্টেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় জাহাজে আরও ১০ জন আরোহী ছিলেন।


জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌযানটি ম্যাকেরেল ও হর্স ম্যাকেরেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরার সক্ষমতা রাখে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, অবৈধভাবে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাহাজটি জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড)-এ প্রবেশ করেছিল। তবে তদন্তের স্বার্থে ক্যাপ্টেন অভিযোগ স্বীকার করেছেন কি না, তা প্রকাশ করা হয়নি।


২০২২ সালের পর এই প্রথম কোনো চীনা মাছ ধরার নৌযান জব্দ করল জাপান। বিশ্লেষকদের মতে, গত বছরের শেষের দিকে দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনা টোকিও ও বেইজিংয়ের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।


এর আগে জাপান দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আসা মাছ ধরার জাহাজও জব্দ করেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে, বিশেষ করে গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বললে চীন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। বেইজিং ওই মন্তব্যকে ‘চরম আপত্তিকর’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানায় এবং জাপানকে সতর্ক করে।


পরিস্থিতির জেরে বেইজিংয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় এবং চীনা নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ ও পড়াশোনার পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়।


সূত্র: রয়টার্স