শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
হোমআইন ও আদালতহত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড

হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক নেতা রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামির রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার।

আদালতে শুনানির সময় রিয়াদের পক্ষে আইনজীবী জাকির হোসাইন এবং অন্য তিন আসামির পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত রিয়াদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং বাকি তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন, যার শুনানির জন্য ৫ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী নির্জন সরদার বাঁধনের সঙ্গে আসামিদের পূর্ব শত্রুতা ছিল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলার একটি কক্ষে দেখা হলে আসামিরা তাকে স্থায়ী ক্যাম্পাস ও সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কথা বলতে বলেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলার সময় রাজ্জাকের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন।

এ সময় রাজ্জাক একটি সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার মুখমণ্ডলে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে ভুক্তভোগীর নাকে গুরুতর জখম হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান। পরে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে আসামিরা ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।

ঘটনার পর গুলশান থানা পুলিশ তাদের আটক করে। এ ঘটনায় নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ২২ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।