শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
হোমবিশ্বঈদে তেল সংকটের অবসান, সব ধরনের রেশনিং উঠল

ঈদে তেল সংকটের অবসান, সব ধরনের রেশনিং উঠল

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ঈদে তেল সংকটের অবসান, সব ধরনের রেশনিং উঠল

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশে জ্বালানি সরবরাহে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেলের সরবরাহ সীমিত করেছিল। তবে দেশের তেল সংকট দ্রুত কমতে শুরু করেছে।


ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ রবিবার (১৫ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনটি প্রধান কারণ—প্রথমত, বেশ কিছু তেলের জাহাজ দেশে পৌঁছেছে; দ্বিতীয়ত, সামনে ঈদ; এবং তৃতীয়ত, বোরো মৌসুম। এর আগে শনিবার (১৩ মার্চ) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমও তেল বিক্রির রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।


প্রতিমন্ত্রী জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনটি প্রধান কারণ—প্রথমত, বেশ কিছু তেলের জাহাজ দেশে পৌঁছেছে; দ্বিতীয়ত, সামনে ঈদ; এবং তৃতীয়ত, বোরো মৌসুম। এর আগে শনিবার (১৩ মার্চ) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমও তেল বিক্রির রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।


গত ৬ মার্চ বিপিসি অনুযায়ী তেলের সরবরাহ সীমা ছিল—একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়িতে সর্বোচ্চ ১০ লিটার। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাসে ২০–২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাসে দিনে ৭০–৮০ লিটার ডিজেল, আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকে ২০০–২২০ লিটার।


এদিকে, রাজধানীর পেট্রল পাম্পগুলোতে তেল নেওয়ার জন্য ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কিছু পাম্পে তেল পাওয়া গেলেও অনেক পাম্পে সরবরাহ কম থাকার কারণে সমস্যা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তবে আশা করা হচ্ছে, পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় দ্রুত এই সংকট শেষ হবে।