মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে, ইউএসএস ত্রিপোলি জাহাজে করে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ অতিরিক্ত মেরিন সেনা ও নাবিক গত ২৭ মার্চ অঞ্চলটিতে পৌঁছেছেন।
৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের এই সেনারা উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ও স্ট্রাইক ফাইটার বিমানের সহায়তায় উভচর হামলার সক্ষমতা নিয়ে মোতায়েন হয়েছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে রয়েছে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ও রণতরী।
এ ছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন থেকেও আরও কয়েক হাজার সৈন্য মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-এর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই সামরিক প্রস্তুতি বড় ধরনের সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে পেন্টাগন-এর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইরানে কয়েক সপ্তাহের জন্য সীমিত কিন্তু শক্তিশালী স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার কথা বলছেন, মাঠপর্যায়ে সামরিক প্রস্তুতি ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুবাইয়ে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-এর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবির পর মার্কিন বাহিনীর এই বড় মোতায়েনকে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—উভয় দিক থেকেই দেখা হচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন, আলোচনার আড়ালে এই সামরিক প্রস্তুতি কৌশলগত চাপ সৃষ্টি, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের পূর্বাভাস।