আলোচনার আগেই ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বড় ইতিবাচক সংকেত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরুর আগেই তেহরানের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা এসেছে। একটি উচ্চপর্যায়ের ইরানি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে সম্মত হয়েছে, যা চলমান আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
রয়টার্স-কে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা অর্থ ছাড়ের বিষয়টি হরমুজ প্রণালি-তে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। পাকিস্তানের ইসলামাবাদ-এ চলমান আলোচনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যদিও প্রথম সূত্রটি অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করেনি, অন্য একটি সূত্র জানায়, কাতার-এ আটকে থাকা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।
এই অর্থ মূলত ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়েছিল, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় তেল বিক্রি থেকে অর্জিত এই অর্থ তখন বিভিন্ন ব্যাংকে আটকে যায়।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই অর্থ ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা আবার স্থগিত হয়ে যায়। ওই চুক্তিতে উভয় পক্ষই নিজেদের আটক নাগরিকদের মুক্তি দেয় এবং অর্থ কাতারের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
তবে যুক্তরাষ্ট্র সে সময় স্পষ্ট করে জানায়, এই অর্থ কেবল মানবিক কাজে—যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য আমদানিতে ব্যবহার করা যাবে।
এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা কাতারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।