কোরবানির পশুর হাটে ভিড় জমলেও দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখন ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। তবে সাধারণ ক্রেতার তুলনায় পাইকারি ক্রেতা ও বেপারিদের উপস্থিতিই বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দর-দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, আর বিক্রি নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন অনেক খামারি ও কৃষক।
রংপুর অঞ্চলের হাটগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে গরু নিয়ে আসছেন খামারি ও কৃষকরা। শঠিবাড়ি, বেতগাড়ি, খানসামা, বড়বাড়িসহ বিভাগের ৫ শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটে এখন গরু ও বেপারিদের ব্যাপক ভিড়। দেশের বিভিন্ন জেলা—চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, খুলনা ও বরিশাল থেকেও বেপারিরা আসছেন পশু কেনাবেচার জন্য।
পাইকারি ক্রেতাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় প্রতি মণ গরুর দাম প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি পড়ছে। অন্যদিকে খামারিদের অভিযোগ, গরু বিক্রি করেও অনেক ক্ষেত্রে লোকসান গুনতে হচ্ছে।
জামালপুর জেলায়ও ৩৫টির বেশি স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট বসেছে। সেখানে ক্রেতারা বলছেন, চাহিদামতো গরু পাওয়া গেলেও দরদামের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে সমস্যা হচ্ছে।
অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার হাটগুলোতেও ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে জমে উঠেছে বাজার। জেলার পাঁচটি স্থানে স্থায়ী হাট বসেছে। এবারের মৌসুমে বড় গরুর চাহিদা কিছুটা কমে গেছে, তবে দেশি জাতের মাঝারি ও ছোট গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।