শনিবার , ৩০ মে ২০২৬
শনিবার , ৩০ মে ২০২৬
হোমজাতীয়ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বিধিমালা বা নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী। আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিটটি দাখিল করা হয়।

রিট আবেদনকারীরা হলেন মো. জাকারিয়া হাবিব, বিবেক চন্দ্র ও মো. সাদ্দাম হোসেন। তাঁরা দাবি করেন, ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে জননিরাপত্তা ও সড়ক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা, তাদের বর্তমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং নতুন নীতিমালা প্রণয়নে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশনারও আবেদন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল প্রথম আলো পত্রিকায় ‘ব্যাটারিচালিত রিকশার নৈরাজ্য: নিরাপত্তা–শৃঙ্খলার প্রশ্নে আপস নয়’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়, যা ইংরেজি অনলাইন সংস্করণেও ছাপা হয়। সেই সম্পাদকীয় যুক্ত করে রিটটি দায়ের করা হয়।

রিটের বিষয়ে আইনজীবী বিবেক চন্দ্র জানান, “অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার হার বাড়ছে। চালকদের সনদ নেই, গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও দুর্বল।” তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের ১২৪ ধারা অনুযায়ী সরকার জনস্বার্থে যে কোনো সময় নির্দেশনা বা নীতিমালা জারি করতে পারে।

রিটে হাইকোর্টে এ প্রশ্ন তোলা হয়েছে—ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়নে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না। সেইসঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা নিয়েও রুল চাওয়া হয়েছে।

রুল হলে, ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশার প্রকৃত সংখ্যা, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হবে।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব, আইন সচিব, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ মোট আটজনকে।