রবিবার , ১৬ আগস্ট ২০২৬
রবিবার , ১৬ আগস্ট ২০২৬
হোমবিশ্বকোরিয়া মুক্তি দিবসে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার কিমের

কোরিয়া মুক্তি দিবসে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার কিমের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
কোরিয়া মুক্তি দিবসে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার কিমের

কোরিয়া মুক্তি দিবস উপলক্ষে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।** দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও যৌথ সংগ্রামের ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।


রোববার (১৬ আগস্ট) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এ তথ্য জানিয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) কোরিয়ার মুক্তি দিবস উপলক্ষে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে কিম বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী। ন্যায়বিচারের জন্য যৌথ সংগ্রামের ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের মূল্যবান ঐতিহ্যের ভিত্তিতে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।


পুতিনও দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, তা তুলে ধরে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।


সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনা ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশ দুটির সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।


এদিকে কোরিয়া মুক্তি দিবসের অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।


তবে পিয়ংইয়ং এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার এমন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ারও সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া।


উল্লেখ্য, ১৯১০ সালে জাপানের দখলে যাওয়ার পর ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ৩৫ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে এবং কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে মুক্তি লাভ করে।