শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
হোমবিশ্বভারতে ব্লক শেরি রেহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট, বললেন ‘সম্মানের প্রতীক’

ভারতে ব্লক শেরি রেহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট, বললেন ‘সম্মানের প্রতীক’

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ভারতে ব্লক শেরি রেহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট, বললেন ‘সম্মানের প্রতীক’
শেরি রেহমান। ছবি: সংগৃহীত

ভারত-পাকিস্তান চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সিনেটর ও সাবেক ফেডারেল মন্ত্রী শেরি রেহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ভারতে ব্লক করা হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ-এর বরাতে জানা যায়, ভারত সরকারের অনুরোধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এক্স। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শেরি রেহমান বলেন, “ভারতে এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া আমার জন্য একধরনের সম্মান।”

তিনি জানান, এক্স-এর পক্ষ থেকে তাকে পাঠানো নোটিশে বলা হয়েছে, ভারত সরকারের তথ্য প্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর অধীনে তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে।

শুধু শেরি রেহমানই নন, একই ধরনের পদক্ষেপের শিকার হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি।

এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে শেরি রেহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, “স্থিতিশীল ও পরিণত রাষ্ট্রের জন্য সংলাপ অপরিহার্য। কিন্তু ‘হিন্দুত্ব প্রজাতন্ত্র’ দ্বারা ব্লক হওয়া আমার কাছে গর্বের বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, “যারা পাকিস্তানের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তাদের বলার মতো কিছুই নেই। তবে দুই দেশের মানুষের উচিত সংলাপ চালিয়ে যাওয়া, কারণ ইতিহাস মুছে ফেলার পাশাপাশি ভবিষ্যতের বিকল্পও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”

ভারতের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শেরি বলেন, “শান্তি ও সহাবস্থানের পক্ষে যারা কথা বলে, তাদের কণ্ঠস্বর ভারতে দমন করা হচ্ছে। নির্যাতনের ভয়ে অনেকে মুখ খুলছে না।”

কাশ্মীর, সিন্ধু পানিবণ্টন ও পারমাণবিক স্থিতিশীলতা—এসব দ্বিপাক্ষিক ইস্যুর কোনো সামরিক সমাধান নেই বলেও তিনি মত দেন। তার মতে, মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতকে এই বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে।

তিনি সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “#2025war প্রমাণ করে দিয়েছে যে শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং সংলাপই একমাত্র সমাধান।”

প্রসঙ্গত, চলতি উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত ৭ মে, যখন ভারত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ৩১ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।

এর জবাবে পাকিস্তান ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে, যার মধ্যে তিনটি রাফাল ছিল। সেই সঙ্গে ইসলামাবাদ ধ্বংস করে কয়েক ডজন ড্রোন।চারদিনের ওই সংঘাতে ভারতের কমপক্ষে ১১ সেনা ও ৪০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।