শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৬
হোম › লাইফস্টাইল › বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে ২৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে ২৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে বাংলাদেশকে ২৭ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৭ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১ টাকা ৬০ পয়সা ধরে)। ‘বাংলাদেশ সাসটেইনেবল ইমার্জেন্সি রিকভারি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স’ (বি-স্ট্রং) নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এই ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো—২০২৩ সালের আগস্টে দেশে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, বাঁধ মেরামত এবং বন্যাদুর্গতদের সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ইআরডির সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ঢাকা কার্যালয়ের অ্যাক্টিং কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন।

বিশ্বব্যাংকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি পাঁচটি সরকারি দপ্তর ও সংস্থা যৌথভাবে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো হল—

• বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়)

• কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বিএডিসি (কৃষি মন্ত্রণালয়)

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়)

• স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) (স্থানীয় সরকার বিভাগ)

• সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) (আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ)

ঋণটি পাওয়া যাবে বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) থেকে। এতে ৫ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক ০.৭৫% সার্ভিস চার্জ ও ১.২৫% হারে সুদ দিতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ ০.৫০% কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হলেও বর্তমানে তা মওকুফ রাখা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে সংস্থাটি বাংলাদেশকে ৪৩.৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বর্তমানে ১৩.১ বিলিয়ন ডলারের ৪৭টি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে সংস্থাটি, যার আওতায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারসহ বিভিন্ন খাত অন্তর্ভুক্ত।