শুক্রবার , ০৭ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার , ০৭ আগস্ট ২০২৬
হোমলাইফস্টাইলস্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখলে মন থাকবে ভালো, জেনে নিন সহজ কিছু উপায়

স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখলে মন থাকবে ভালো, জেনে নিন সহজ কিছু উপায়

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখলে মন থাকবে ভালো, জেনে নিন সহজ কিছু উপায়

হঠাৎ মন খারাপ, অস্থিরতা বা কোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারার পেছনে শরীরের কর্টিসল বা ‘স্ট্রেস হরমোন’-এর মাত্রা বেড়ে যাওয়াও একটি কারণ হতে পারে। এই হরমোন শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করলেও অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে মানসিক ও শারীরিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনযাপনে কিছু সহজ পরিবর্তন আনলেই কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং মানসিক চাপ কমানো সম্ভব।


**নিয়মিত শরীরচর্চা করুন**

প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটা, সাইকেল চালানো বা পছন্দের কোনো ব্যায়াম করলে শরীরের পাশাপাশি মনও সতেজ থাকে। খোলা পরিবেশে সকালের হাঁটা মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।


**স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন**

সকালে অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বা খালি পেটে বেশি চা-কফি পান এড়িয়ে চলা ভালো। এর পরিবর্তে ভেষজ চা, ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন কাঠবাদাম, কলা ও সবুজ শাকসবজি এবং ট্রিপটোফ্যানসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, মাছ ও কুমড়ার বীজ খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এসব খাবার শরীরে ভালো অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত রাসায়নিক উৎপাদনে সহায়তা করে।


**প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান**

পরিবার বা প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য মানসিক চাপ কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের সঙ্গে কিছু সময় কাটানো, আলাপ করা বা আন্তরিক স্পর্শ মানসিক স্বস্তি এনে দিতে সাহায্য করে।


**মনের কথা চেপে রাখবেন না**

দীর্ঘদিন আবেগ বা দুশ্চিন্তা নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখলে মানসিক চাপ বাড়তে পারে। বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া বা ডায়েরিতে লিখে রাখার অভ্যাস মনকে হালকা করতে সহায়ক হতে পারে।


শখের কাজে সময় দিন

ব্যস্ততার মাঝেও নিজের পছন্দের কাজের জন্য কিছু সময় বের করুন। বই পড়া, গান শোনা, ছবি আঁকা, রান্না, বাগান করা বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকলে মানসিক চাপ কমে এবং মন প্রফুল্ল থাকে।


বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা মানসিক চাপ অনুভূত হলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।