শ্রমিক আন্দোলনে অরাজকতার অভিযোগ, জামায়াতের আমিরকে আইনের আওতায় আনার প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
শ্রমিক আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে জামায়াতের আমিরকে আইনের আওতায় আনা উচিত কি না, সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, জামায়াত রাজপথ উত্তপ্ত করছে এবং আন্দোলনের মধ্যে ঢুকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাচ্ছে আওয়ামী লীগ।
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘সরকারের সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দিবো’—লংমার্চ থেকে জামায়াতের আমিরের এমন বক্তব্যের পর শ্রমিক আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি, গতকাল মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরে এমন ঘটনাই ঘটেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশকে উত্তপ্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দেশবিরোধী শক্তিগুলো। সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি আন্তরিক থাকা সত্ত্বেও জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা সাধারণ শ্রমিকদের সংগঠিত করে মাঠে নামিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা শ্রমিকের ছদ্মবেশে পুলিশের গাড়ি, মানুষের পিকআপ ও পোশাক কারখানায় আগুন দিয়ে চলে যায়।
অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, আওয়ামী লীগের অগ্নিসন্ত্রাসে উসকানিদাতা হিসেবে জামায়াতের আমিরকে আইনের আওতায় আনা উচিত কি না।
তবে পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য দেওয়া হয়নি।