বুধবার , ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার , ০৪ নভেম্বর ২০২৬
হোম › ঢাকা প্রতিদিন › মিরপুরে একা পেয়ে পুলিশ সদস্যকে লাঠিপেটা, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

মিরপুরে একা পেয়ে পুলিশ সদস্যকে লাঠিপেটা, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
মিরপুরে একা পেয়ে পুলিশ সদস্যকে লাঠিপেটা, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এক পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। একা পেয়ে কয়েকজন আন্দোলনকারী লাঠিসোঁটা দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন সায়মন নামের ওই পুলিশ সদস্য। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে কালশী সড়কে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সুপারশপের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।


ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশ সদস্য সায়মনকে ঘিরে ধরে মারধর করছেন। কেউ লাঠি দিয়ে আঘাত করছেন, আবার কেউ লাথি মারছেন। এ সময় কয়েকজনকে হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টাও করতে দেখা যায়।


পুলিশ সদস্যকে মারধরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন। তিনি জানান, আহত সায়মন বর্তমানে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


এদিকে বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে মঙ্গলবারও রাজধানীর মিরপুরে আন্দোলন করেছেন পোশাকশ্রমিকরা। সকালে তাঁরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় শ্রমিকদের ছোড়া ইটপাটকেলের জবাবে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।


সকাল সাড়ে ৯টার কিছু আগে মিরপুর-১১ ও পল্লবী এলাকায় শ্রমিকরা সড়কে নেমে আসেন। এ সময় দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা তাঁদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। এ নিয়ে কয়েক দফায় বাক্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শ্রমিকরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। পরে শ্রমিকরা বিভিন্ন অলিগলিতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকেও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। জবাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।


এরপর ওই এলাকায় যান চলাচল শুরু হয়। দুপুরের পর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে থাকে।