বৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৬
হোম › সারা দেশ › গাজায় ত্রাণ প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ, রাফাহ ক্রসিং বন্ধই রাখছে ইসরায়েল

গাজায় ত্রাণ প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ, রাফাহ ক্রসিং বন্ধই রাখছে ইসরায়েল

favicon
অনলাইন সংস্করণ
গাজায় ত্রাণ প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ, রাফাহ ক্রসিং বন্ধই রাখছে ইসরায়েল

গাজায় ত্রাণ প্রবেশে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। প্রতিশ্রুতি দিলেও মিশর সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিং এখনো খোলা হয়নি। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জাতিসংঘকে এ তথ্য জানিয়েছে তেলআবিব।


জাতিসংঘকে জানানো হয়, আপাতত গাজা উপত্যকায় মাত্র ৩০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেবে ইসরায়েল। এর আগে নেতানিয়াহু প্রশাসন প্রতিদিন অন্তত ৬০০ ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছিল, যা জাতিসংঘও দাবি করেছিল। একই সঙ্গে, ব্যতিক্রম ছাড়া গাজায় জ্বালানি ও গ্যাস প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ত্রাণ বিভিন্ন সীমান্তে আটকে আছে।


ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামাস যতক্ষণ পর্যন্ত বাকি জিম্মিদের মরদেহ ফেরত না দেবে, ততক্ষণ রাফাহ ক্রসিং বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি, গাজায় ত্রাণ প্রবেশ সীমিত রাখার আহ্বানও জানানো হয়েছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, হামাস মৃত জিম্মিদের মরদেহ ফেরত দিতে অনাগ্রহী থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে সোমবার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ২০ জীবিত ও ৪ মৃত জিম্মিকে ফেরত দিয়েছে। এখনও গাজায় রয়ে গেছে আরও ২৪ জনের মরদেহ।


এর আগে, যুদ্ধবিরতির আগেই হামাস মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে জানিয়েছিল, তারা কয়েকজন জিম্মির মরদেহের অবস্থান হারিয়ে ফেলেছে। হামাসের দাবি, যেসব ব্যক্তি কবরস্থানের অবস্থান জানতেন তারা নিহত হয়েছেন, কিংবা হামলার কারণে সেই স্থানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।


তারা আরও জানায়, এসব মরদেহ খুঁজে পেতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এমনকি ৭ থেকে ৯ জন জিম্মির মরদেহ আর কখনো উদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। মরদেহ অনুসন্ধানে তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল গঠনের প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।