শনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজনীতি › ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের

৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের

favicon
অনলাইন সংস্করণ
৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের

৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এখন সময় এসেছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করে চূড়ান্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার।”

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লব শুধু একটি ঐতিহাসিক মোড় পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এটি ছিল বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির নতুন সূচনা। এই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায় এবং গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়।

তিনি স্মরণ করেন, স্বাধীনতার পর একদলীয় বাকশাল গঠন করে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়, কিন্তু ৭ নভেম্বরের বিপ্লবে সিপাহী ও জনতার ঐক্য সেই বন্দিত্বের অবসান ঘটায়। এর মাধ্যমে দেশ নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পায় এবং বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন, “আধিপত্যবাদী শক্তির দেশীয় এজেন্টরা জিয়ার নেতৃত্বে উদ্ভূত জাতীয়তাবাদী চেতনা ধ্বংস করতে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিন্তু জিয়ার আদর্শ আজও গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার লড়াইয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে।”

তিনি বলেন, “প্রায় ১৬ বছর ধরে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে রেখেছে এবং বিরোধী মতকে দমন করেছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, দূর্নীতি ও অপশাসনের মাধ্যমে দেশে এক ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করেছে।”

তারেক রহমান বলেন, “গণতন্ত্রের প্রতীক খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে দীর্ঘদিন বন্দী রাখা হয়েছে। সমাজে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই এখন সময়ের দাবি।”

বার্তায় তিনি আহ্বান জানান, “৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তিশালী গণতন্ত্র বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই আজকের প্রধান দায়িত্ব।”