শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৬
হোম › সারা দেশ › রৌমারী স্থলবন্দরে ট্রাকপ্রতি ১,৮০০ টাকা চাঁদার অভিযোগ

রৌমারী স্থলবন্দরে ট্রাকপ্রতি ১,৮০০ টাকা চাঁদার অভিযোগ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
রৌমারী স্থলবন্দরে ট্রাকপ্রতি ১,৮০০ টাকা চাঁদার অভিযোগ

কুড়িগ্রামের রৌমারী শুল্ক স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানিকৃত পাথরবোঝাই প্রতিটি ট্রাক থেকে বিভিন্ন খরচের অজুহাতে ১ হাজার ৮০০ টাকা করে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে একদল অসাধু ব্যবসায়ী ও চাঁদা আদায়কর্মী সাংবাদিকদের বাধা দেয় এবং সংবাদ প্রকাশ না করার হুমকি দেয়।


১৭ নভেম্বর সরেজমিনে রৌমারীর চর নতুনবন্দর এলাকায় গিয়ে জানা যায়, ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ৯ মাস পাথর আমদানি বন্ধ থাকার পর ২৩ অক্টোবর থেকে আবার চালু হয়। তবে আমদানি শুরু হলেও নতুন করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।


ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলসি করার সময়ই সব ধরনের ভ্যাট, ট্যাক্স ও নির্ধারিত খরচ পরিশোধ করা হয়। এরপরও ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের পর পাথর খালাসের পূর্বে সিএনএফ কাগজ দেখিয়ে ট্রাকপ্রতি ১,৮০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। ছবি তুলতে গেলে সিন্ডিকেটের সদস্যরা জানান—কাস্টম কর্মকর্তার নির্দেশে ছবি তোলা নিষেধ।


রৌমারী সিএনএফ এজেন্সির পরিচালক মামুন মিয়া স্বীকার করেন, ট্রাকের ধরন অনুযায়ী ১,৪০০–১,৮০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, যা সিএনএফ ফি ও স্থলবন্দরের বিভিন্ন খরচ বাবদ ব্যয় হয়। আমদানি-রপ্তানি কারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলেপ উদ্দিনও এই অর্থ আদায়ের কথা স্বীকার করেন।


অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক জানান, এটি অতিরিক্ত অর্থ নয়; ভ্যাট-ট্যাক্সসহ ১,৪০০ টাকা ও ৪০০–৫০০ টাকা আনুষঙ্গিক খরচ নেওয়া হয়।


এ বিষয়ে কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল রৌমারীর রাজস্ব কর্মকর্তা নাহিদ গাজী বলেন, তিনি সদ্য যোগদান করেছেন এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে জানেন না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ছবি তোলা নিষিদ্ধ নয়—অসাধু ব্যবসায়ীরা নিজেদের স্বার্থে এমন দাবি করেছে।