শনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২৬
হোম › রাজনীতি › জিগাতলায় এনসিপি নেত্রীর মৃত্যু: রাজনৈতিক হুমকি ও পারিবারিক জটিলতা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু

জিগাতলায় এনসিপি নেত্রীর মৃত্যু: রাজনৈতিক হুমকি ও পারিবারিক জটিলতা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জিগাতলায় এনসিপি নেত্রীর মৃত্যু: রাজনৈতিক হুমকি ও পারিবারিক জটিলতা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু

রাজধানীর জিগাতলায় একটি ছাত্রী হোস্টেল থেকে এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ‘রাজনৈতিক হুমকি’ ও ‘পারিবারিক জটিলতা’—এই দুই দিক সামনে রেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে হাজারীবাগ থানা।


থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রুমীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।


জান্নাত আরা রুমী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ধানমণ্ডি শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি বলেন, গত প্রায় দুই মাস ধরে রুমী সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছিলেন এবং নিয়মিত হত্যাসহ নানা ধরনের হুমকি পাচ্ছিলেন। এসব কারণে তিনি মানসিকভাবে চাপে ছিলেন।


দলীয় সূত্র জানায়, কর্মসূচিতে অংশ নিলেও রুমীকে বেশ কিছুদিন ধরে বিমর্ষ দেখা যেত। গত ১৪ নভেম্বর নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ চলাকালে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে এক নারীকে মারধরের ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে।


এনসিপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রুমীর বর্তমান ও পারিবারিক ঠিকানাসহ ব্যক্তিগত তথ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও হুমকি ও চাপের মুখে পড়েন, যা পারিবারিক জটিলতা বাড়িয়ে দিতে পারে।


আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহননের ঘটনা—তা তদন্তে বের হবে। তবে যদি আত্মহননের প্রমাণও মেলে, তাহলে দীর্ঘদিনের হুমকি ও হয়রানির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া উচিত।


পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে একটি সম্ভাব্য দিক বিবেচনায় এলেও রাজনৈতিক ও পারিবারিক—সব দিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।