রবিবার , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমবিশ্বশান্তি বোর্ডে যোগ দিতে দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলারের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলারের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
শান্তি বোর্ডে যোগ দিতে দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলারের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে গঠিত তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী সদস্যপদ পেতে দেশগুলোর কাছে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার দাবি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এএফপি সোমবার একটি খসড়া সনদপত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।


হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গঠিত এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


সনদপত্র অনুযায়ী, বোর্ড অব পিসে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মেয়াদ প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। তবে সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই যদি কোনো দেশ এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি নগদ অর্থ প্রদান করে, সে ক্ষেত্রে তিন বছরের সীমা প্রযোজ্য হবে না এবং সদস্যপদের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে।


খসড়া সনদে উল্লেখ করা হয়েছে,

‘এই সনদ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের মেয়াদ সর্বোচ্চ তিন বছর হবে। তবে সভাপতির অনুমোদনে তা নবায়নযোগ্য।’


এতে আরও বলা হয়,

‘সনদ কার্যকর হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যে যারা এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি নগদ অর্থ বোর্ড অব পিসে প্রদান করবে, তাদের ক্ষেত্রে তিন বছরের সদস্যপদ মেয়াদ প্রযোজ্য হবে না।’


প্রাথমিকভাবে বোর্ড অব পিস গাজার পুনর্গঠন তদারকির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হলেও, সনদে এর কার্যপরিধি কেবল অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি।


হোয়াইট হাউস জানায়, এই কাঠামোর আওতায় একটি প্রধান বোর্ড থাকবে। পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা শাসনের জন্য ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটদের নিয়ে একটি আলাদা কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া একটি দ্বিতীয় ‘এক্সিকিউটিভ বোর্ড’ থাকবে, যার ভূমিকা মূলত পরামর্শমূলক।


সনদে বলা হয়েছে,

‘বোর্ড অব পিস একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার লক্ষ্য সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বা সংঘাতের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য ও আইনসম্মত শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।’