শনিবার , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমজাতীয়নির্বাচনের আগে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সে ভিড়, প্রতিদিন ৫–৭টি আবেদন পাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

নির্বাচনের আগে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সে ভিড়, প্রতিদিন ৫–৭টি আবেদন পাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
নির্বাচনের আগে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সে ভিড়, প্রতিদিন ৫–৭টি আবেদন পাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগও তীব্র হচ্ছে। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করছেন অনেক সংসদ সদস্য প্রার্থী। এসব আবেদন নিয়মিতভাবে মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখায় পাঠানো হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশন থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সের আবেদন মন্ত্রণালয়ে আসছে। এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক আবেদন জমা পড়েছে।

বর্তমানে নতুন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শটগানের লাইসেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে। নীতিমালা অনুযায়ী পিস্তল ও রিভলবারের আবেদন করার সুযোগ থাকলেও সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত শটগানকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে প্রার্থী ছাড়া সাধারণ নাগরিকদের কাছে থাকা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিগত সরকারের সময়ে ইস্যু করা এবং বিভিন্ন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া বহু অস্ত্র এখনো উদ্ধার না হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যেসব এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রভাব তুলনামূলক বেশি, সেসব এলাকার প্রার্থীরা নিরাপত্তা নিয়ে বেশি শঙ্কিত হয়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছেন। তবে সব জেলায় একই চিত্র নয়। উদাহরণ হিসেবে শেরপুর জেলার তিনটি আসনে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এখন পর্যন্ত কেউ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন করেননি বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আবেদনকারীরা নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছেন। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের অনুকূলে দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়া হচ্ছে।