যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেবে তুরস্ক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির তুরস্ক সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেবে আঙ্কারা। একই সঙ্গে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেলে ইরান সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি বিবেচনায় নিচ্ছে তুরস্ক।
শুক্রবারের এই সফর এমন এক প্রেক্ষাপটে হচ্ছে, যখন চলতি মাসের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দেন। এরই মধ্যে একটি মার্কিন নৌ স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম’।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানাবেন, সংলাপের মাধ্যমে বর্তমান সংকট নিরসনে তুরস্ক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। এক তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ফিদান ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবেন এবং এর সম্ভাব্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরবেন।
এর আগে বুধবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘ইরানে হামলা করা যেমন ভুল, তেমনি নতুন করে যুদ্ধ শুরু করাও ভুল। ইরান আলোচনায় ফিরতে প্রস্তুত।’
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে তুরস্ক সমর্থন জানায় এবং প্রয়োজন হলে এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতেও প্রস্তুত।