রবিবার , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমবিশ্ববিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার

বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যু, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার

গত বুধবার সকালে এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। তার মৃত্যুর পর রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তার স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার।

এনসিপি প্রধান ও অজিত পাওয়ারের চাচা শরদ পাওয়ার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)। তবে এ বিষয়ে পাওয়ার পরিবারের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অজিত পাওয়ারের উত্তরসূরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া থেকে তাকে দূরে রাখা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শরদ পাওয়ার বলেন, “আমি জানি না।” তার এই বক্তব্যে পরিবার ও রাজনীতির মধ্যকার স্পষ্ট দূরত্বের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অজিত পাওয়ার চাচা শরদ পাওয়ারের নেতৃত্ব ছেড়ে আলাদা রাজনৈতিক পথ বেছে নেন। তার নেতৃত্বাধীন এনসিপির একটি অংশ বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয়। এতে এনসিপি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

শরদ পাওয়ার দাবি করেছেন, শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়টি তিনি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জেনেছেন। বারামতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “শপথগ্রহণ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। আমরা সংবাদমাধ্যম থেকেই বিষয়টি জেনেছি।”

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অজিত পাওয়ার মুম্বাই থেকে বারামতির উদ্দেশে ‘ভিএসআর ভেঞ্চারস’-এর মালিকানাধীন একটি ছোট উড়োজাহাজে (লিয়ারজেট ৪৫) যাত্রা করছিলেন। দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারসহ পাঁচজন নিহত হন। নিহত অন্যরা হলেন পাইলট সুমিত কাপুর, সহ-পাইলট শম্ভবী পাঠক, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিদিপ যাদব এবং বিমানবালা পিংকি মালি।

এদিকে এনসিপি (এসপি) নেতা অঙ্কুশ কাকাড়ে জানান, অজিত পাওয়ার তার চাচা শরদ পাওয়ারের জন্মদিনে (১২ ডিসেম্বর) বিভক্ত দুই এনসিপির পুনর্মিলন ঘটাতে চেয়েছিলেন। এ লক্ষ্যে তিনি সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতার অনুরোধও করেছিলেন।

কাকাড়ে বলেন, “অজিত পাওয়ার বলেছিলেন, নির্বাচনের পর দুই পক্ষ আবার এক হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি তার সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পারলেন না।”