টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: গ্রুপ পর্ব শেষে সর্বোচ্চ ৫ রানসংগ্রাহক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ হয়েছে রোমাঞ্চ, অঘটন ও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ভরপুর নাটকীয় আবহে। আজ থেকে শুরু হচ্ছে সুপার এইট পর্ব। ভারত ও শ্রীলঙ্কার উপমহাদেশীয় উইকেটে ব্যাটারদের আধিপত্যই ছিল গ্রুপ পর্বের প্রধান গল্প। অভিজ্ঞতার সঙ্গে আগ্রাসী মানসিকতা ও পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার দক্ষতায় আলাদা হয়ে উঠেছেন কয়েকজন ব্যাটার।
রান তালিকার শীর্ষে আছেন পাকিস্তানের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। চার ইনিংসে ৭৩.৩৩ গড়ে ২২০ রান করেছেন তিনি। কলম্বোতে নামিবিয়ার বিপক্ষে ১০০ রানের ঝকঝকে ইনিংসটি ছিল তার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের হয়ে এই কীর্তিতে তিনি দ্বিতীয় ব্যাটার।
ঘরের মাঠে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশাঙ্কা। চার ম্যাচে ১৯৯ রান করে দুই শতক থেকে মাত্র এক রান দূরে থেমেছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫২ বলে ১০০ রানের ইনিংসটি ছিল তার সেরা পারফরম্যান্স, যা ২০২১ চ্যাম্পিয়নদের বিদায় নিশ্চিত করে।
শ্রীলঙ্কার আরেক ওপেনার কুশল মেন্ডিসও ছিলেন ধারাবাহিক। টুর্নামেন্টের শুরুতেই টানা তিনটি অর্ধশতক করে তিনি দলের ভিত মজবুত করেন। ৬০.৬৬ গড়ে ১৮২ রান করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপে স্থিতি এনে দেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ব্যাট হাতে। ১৭৮ রান করেছেন ১৮৭.৩৬ স্ট্রাইক রেটে, যা শীর্ষ পাঁচের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৮৬ রানের ইনিংসটি ছিল আধুনিক টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ের উজ্জ্বল উদাহরণ।
তালিকার পঞ্চম স্থানে আছেন ভারতের বাঁহাতি ব্যাটার ঈশান কিশান। চার ইনিংসে ১৭৬ রান করেছেন ২০২.২৯ স্ট্রাইক রেটে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪০ বলে ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংসটি ছিল তার টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। দ্রুত সূচনা এনে দেওয়ার সামর্থ্যই তাকে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যাটারদের একজন করে তুলেছে।