আট নারীকে মৃত্যুদণ্ডের পরিকল্পনা স্থগিতের দাবি, ইরানের অস্বীকার
সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জেরে গ্রেপ্তার হওয়া আট নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথিত পরিকল্পনা স্থগিত করেছে ইরান—এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। বুধবার তিনি জানান, শান্তি আলোচনায় সহায়তার জন্য তার আহ্বানের পর তেহরান এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি বলেন, ইরান তার অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ করেছে। তবে ইরান সরকার এ ধরনের কোনো পরিকল্পনার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া বিক্ষোভের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া অন্তত একজন নারীকে ইতোমধ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও অন্তত একজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে তার শাস্তি কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে Donald Trump সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, এসব নারীর মুক্তি ইরানের জন্য চলমান আলোচনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি এক অ্যাক্টিভিস্টের পোস্টও শেয়ার করেন, যেখানে আট নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল।
এদিকে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে অতিরিক্ত দাবির অভিযোগে এর আগের আলোচনা ভেস্তে যায়।
মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান সরকার সমাজে ভীতি সৃষ্টির জন্য মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার বাড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক বন্দীদের বিরুদ্ধে এর প্রয়োগও বৃদ্ধি পেয়েছে।