উৎপাদন ঘাটতিতে লোডশেডিং, ঢাকায় পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সিদ্ধান্ত
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে লোডশেডিং করতে সরকার বাধ্য হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি খাতে সেচব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শহর-গ্রামের বৈষম্য কমাতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার মতে, এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
তিনি জানান, বুধবার দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার কারণে লোডশেডিং অনিবার্য হয়ে পড়েছে।
তিনি জানান, বুধবার দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৩৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ২ হাজার ৮৬ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার কারণে লোডশেডিং অনিবার্য হয়ে পড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমন্বয়ের কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী ১০ সদস্যের একটি যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যা সংকট সমাধানে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।