বৃহস্পতিবার , ০২ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ০২ জুলাই ২০২৬
হোমরাজনীতিতুরস্ক-জামায়াত সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক, নানা দাবি-অভিযোগ ঘিরে আলোচনা

তুরস্ক-জামায়াত সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক, নানা দাবি-অভিযোগ ঘিরে আলোচনা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
তুরস্ক-জামায়াত সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক, নানা দাবি-অভিযোগ ঘিরে আলোচনা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তুরস্কের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তুরস্কভিত্তিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং আদর্শিক সংযোগের মাধ্যমে জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে। তবে প্রতিবেদনে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টার্কিশ এয়ারলাইনসের বাংলাদেশে জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) প্রতিষ্ঠান অ্যারোমেট সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার নাসের জাহেদীকে ঘিরে জামায়াতে যোগদানের গুঞ্জন রয়েছে। যদিও তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


এতে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০১৬ সালের পর থেকে তুরস্কের সঙ্গে জামায়াতের যোগাযোগ বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দলটির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হয়। একই সঙ্গে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল ও বাংলাদেশের জামায়াতের মধ্যে আদর্শিক মিল থাকার বিষয়েও আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে।


প্রতিবেদনে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতামত এবং সাম্প্রতিক কয়েকটি কূটনৈতিক সাক্ষাতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়া তুরস্কে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি এবং রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নিয়েও বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে।


তবে এসব অভিযোগ ও বিশ্লেষণের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে তুরস্ক সরকারের পক্ষ থেকেও এসব নির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও অর্থায়নসংক্রান্ত যেকোনো দাবি নিরপেক্ষ তদন্ত ও তথ্যভিত্তিক যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। ফলে এ ধরনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।