শনিবার , ৩০ মে ২০২৬
শনিবার , ৩০ মে ২০২৬
হোমবিশ্বভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির তুলনায় কারা এগিয়ে?

ভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির তুলনায় কারা এগিয়ে?

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির তুলনায় কারা এগিয়ে?

পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকে নতুন করে আলোচনায় এসেছে পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। উভয় দেশের সামরিক ভাণ্ডারেই রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। তবে এই খাতে ভারতের অগ্রগতি অনেকটাই চোখে পড়ার মতো।

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অনেক বিস্তৃত ও শক্তিশালী। দেশটির কাছে রয়েছে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল, যা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানতে সক্ষম। অপরদিকে, পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত ভারতের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে। দেশটির আবদালি, নাসর, ঘোরি ও গজনবির মতো স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার মিসাইলগুলো ৫০ কিলোটন ওয়ারহেড বহন করে সর্বোচ্চ ২৭০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে।

পাকিস্তান পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে, যেমন: জার্ব, আবাবিল, তৈমুর ও বাবুর। এসব মিসাইল জাহাজ, ট্যাংক ও সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহৃত হয়।

ভারতও পাকিস্তান ও চীনের মতো প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় বহুমুখী মিসাইল প্রকল্প চালু করেছে। তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে রয়েছে অগ্নি সিরিজের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল, পৃথ্বি, সূর্য ও কালামের মতো স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার মিসাইল, এবং ব্রহ্ম ও নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল—যেগুলো পরমাণু ও প্রচলিত উভয় ধরণের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

এছাড়াও ভারতের রয়েছে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র ও ত্রিশূলের মতো বিভিন্ন অ্যান্টি-ট্যাংক ও অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, যেগুলো আকাশ, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—ভারতের কাছে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল। চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারতই বিশ্বের চতুর্থ দেশ যারা মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ ধ্বংসে সক্ষম অস্ত্রের মালিক। এই প্রযুক্তিই ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে অন্যদের তুলনায় এক ধাপ এগিয়ে রেখেছে।

আপনি কি চান এ নিয়ে একটি তুলনামূলক টেবিল বা গ্রাফ তৈরি করে দিই?